বগুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর রাষ্ট্র সংস্কারের নবযাত্রা ও আজকের বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্র সংস্কার
গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণা’র আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার ও এদেশকে একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’-এ রূপান্তরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য মৌলিক বিষয়গুলোতে এক ধরনের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার ফল।
সামাজিক ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্র সংস্কারই এই সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘পতিত আওয়ামী স্বৈরশাসক রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তম্ভ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল
একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে মানুষের মানসিক ও চিন্তাগত পরিবর্তন অপরিহার্য।
রাষ্ট্র সংস্কারে আরও চারটি কমিশন গঠন করেছে সরকার। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘এই অন্তবর্তীকালীন সরকারকে একটি নির্বাচন করার জন্য জনগণ ক্ষমতায় বসায়নি, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য, রাষ্ট্রের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, কল্যাণের জন্য দলমত নির্বিশেষ তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাই আগে রাষ্ট্র সংস্কার, পরে নির্বাচন।’
নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা, পররাষ্ট্র এবং শিক্ষাসহ ১০টি খাতে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে দলটির পক্ষ থেকে ‘রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।